রামমন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবসে উপস্থিত থাকার জন্য ওই মন্দিরের তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও লোকসভার বিরোধী নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আড়াই সপ্তাহের টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের পর গত বুধবার কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। দলের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ এক বিবৃতিতে বলেন, অযোধ্যার কর্মসূচি পুরোপুরি বিজেপি ও আরএসএসের নিজস্ব। দেশের লাখ লাখ মানুষ রামের পূজা করেন। ধর্ম একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু বিজেপি ও আরএসএস রামমন্দিরের ওপর থাকা মানুষের আস্থার রাজনৈতিকীকরণ করছে। সেটা করছে স্রেফ ভোটের কথা ভেবে। তাই তড়িঘড়ি অসম্পূর্ণ মন্দিরের উদ্বোধন করতে যাচ্ছে।
জয়রাম রমেশ বিবৃতিতে এ কথাও জানাতে ভোলেননি যে এই মন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রতি কংগ্রেস শ্রদ্ধাশীল। রামচন্দ্রের উপাসকদের আবেগের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। তবু অনুষ্ঠানে যোগদানের আমন্ত্রণ শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছে। কেন সেই প্রত্যাখ্যান, তার কারণ যে বিজেপি–আরএসএসের রাজনৈতিক স্বার্থ, ওই বিবৃতিতে তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।