Home জাতীয় সীমানা নির্ধারণ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যমত হয়েছে

সীমানা নির্ধারণ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যমত হয়েছে

by News Desk
০ comment

সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যমত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বুধবার রাজধানীর বেইলী রোডে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির দোয়েল হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের আলোচনা শেষে তিনি এই কথা জানান।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আজকে আলোচনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে বড় ধরনের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সীমানা নির্ধারণ যে ঐক্যমত্য সৃষ্টি হয়েছে তা তুলে ধরে আলী রীয়াজ বলেন, আশু ব্যবস্থা। কারণ নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচনী আসন নির্ধারণ নিয়ে কাজ চলমান দেখতে পাচ্ছি। এবং নির্বাচন সংস্কার কমিশন থেকে সুস্পষ্ট সুপারিশ ছিলো সেখানে বলা হয়ে আশু ব্যবস্থা হিসেবে কি করা যেতে পারে। দ্বিতীয় বিষয় দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিকভাবে কিছু না। দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানে যে ঐক্যমত হয়েছে তা হলো- প্রতি আদমশুমারি অনধিক ১০ বছর পরে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের জন্য সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদের দফা এক এর ঘ শেষে আইনের দ্বারা একটি বিধান যুক্ত করা। এর অর্থ হচ্ছে সংসদীয় আসন নির্ধারণ করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা।

তিনি আরও বলেন, এই কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সীমানা নির্ধারণের আইন ২০২১ যেটা ২০২৫ সালে সংশোধিত হয়েছে। আমরা সংবিধানে কিছু বিষয় যুক্ত করার কথা বলেছি তার পাশাপাশি সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আইনের মধ্য দিয়ে কমিটির পরিধি ও কার্যপরিধি গঠন নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইন থাকে তা বলেছি। দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সমাধানের জন্য এই ব্যাপারে সকল রাজনৈতিকদল একমত হয়েছে।

আর আশু বিষয়ে বলা হয়েছে- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় যথাযথ দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষায়িত কমিটি গঠন। কমিটি গঠন হয়ে থাকে তাহলে পরিবর্তন সাধন করে সেই কমিটি দ্বারা সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করা। বর্তমান যে কমিটি করা সেটা যাতে পরিবর্তন করে রাজনৈতিক দলের ঐক্যমত্যের পতিফলন ঘটে। আমরা এই বিষয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবো।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে আলোচনা প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অভিন্নমত পোষণ করে দিয়ে সুনির্দিষ্ট ঐক্যমত্য আছে। এর গঠন এবং কাঠামোগত বিষয় ও সরকার কতদিন থাকবে তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আলোচনায় বিভিন্নরকম মতামত এসেছে। এ বিষয়ে দুটি সুপারিশ ছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন থেকে ছিল ৯০ দিনের আর নির্বাচন কমিশন যে ছিল ১২০ দিনের। এই সমস্ত সময় ও পরিধি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা রাজনৈতিক দলগুলো অনেক কাছাকাছি এসেছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যে আলোচনা হয়েছে তা অত্যন্ত ইতিবাচক। তোমাদের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিন যাবত আমরা সবাই অনেক সংগ্রাম করেছি। আমরা আশা করি এ সকল বিষয় নিয়ে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারবো। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই মর্মে সহযোগিতা থাকলে চলতি জুলাই মাসের মধ্যে আমরা একটি জুলাই সনদ তৈরি করতে পারব।

You may also like

Leave a Comment